সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরবে নতুন সরকার ক্ষমতায় এলে: সেনাপ্রধান
নবনির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করলেই সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তবে পুলিশ আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ না নেওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীর একটি অংশ মাঠে মোতায়েন থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সেনাবাহিনীর ভাষণে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় সিএএস দরবারে সেনাবাহিনীর সব পদমর্যাদার সদস্যদের উদ্দেশে এক ভাষণে এসব কথা জানান সেনাপ্রধান। এতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সময় সেনাসদস্যদের 'চমৎকার দায়িত্বশীলতা' ও দক্ষতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দেশের স্থিতিশীলতায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা
দেশের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশকে স্থিতিশীল করতে সেনাবাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে সেনাপ্রধান বলেন, 'দেশ ও জনগণ সেনাবাহিনীর এই সেবাকে স্মরণ রাখবে।' তিনি আরও যোগ করেন যে, সেনাবাহিনী সর্বদা জনগণের পাশে থেকে দায়িত্ব পালন করে চলেছে।
ধৈর্যের গুরুত্ব ও কোরআনের উদ্ধৃতি
বক্তব্যে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন, 'নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের পুরস্কৃত করেন।' এই উক্তি দিয়ে তিনি সেনাসদস্যদের ধৈর্য ও সংযমের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
আইনশৃঙ্খলা সহায়তার পরিকল্পনা
সেনাপ্রধান স্পষ্ট করে বলেন যে, পুলিশ বাহিনী যখন পুরোপুরি আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হবে, তখনই সেনাবাহিনী সম্পূর্ণভাবে ব্যারাকে ফিরে যাবে। এর আগ পর্যন্ত তারা প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে।
- নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরবে।
- পুলিশের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ না আসা পর্যন্ত সেনাবাহিনীর একটি অংশ মাঠে থাকবে।
- সেনাসদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে প্রশংসা করা হয়েছে।
- দেশের স্থিতিশীলতায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ঘোষণার মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সেনাবাহিনীর প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।



