ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরেও রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান অব্যাহত
নির্বাচনের পরেও রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরেও রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান অব্যাহত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরের দিন শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থান ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য থেকে জানা গেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের শক্ত অবস্থান

শুক্রবার সকাল থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও এলাকাগুলোতে পুলিশের শক্ত অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। পল্টন, কাকরাইল, শাহবাগ, প্রেসক্লাব, দৈনিক বাংলা মোড়, কাওরান বাজার, ধানমন্ডি, রামপুরা, বাড্ডা, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, উত্তরা ও মিরপুরসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান সাংবাদিকদের জানান, "পুলিশের নির্বাচনি কার্যক্রম এখনও অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় এলাকায় পুলিশের অবস্থান রয়েছে। এছাড়া পুলিশের পেট্রোল ডিউটিও অব্যাহত আছে।"

বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ রয়েছে

জানা গেছে, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ রাখা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের টহলরত অবস্থায় দেখা গেছে, যা নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যাপকতা নির্দেশ করে।

কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতি ও সতর্কতা

বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রফিক আহমেদ বলেন, "থানা এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে। আমাদের পেট্রোল ডিউটি ও কমেনি। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধে প্রস্তুত রয়েছি আমরা।" তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, নির্বাচন পরবর্তী সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।

এদিকে, নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষ হলেও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের এই কঠোর অবস্থান সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে একটি নিরাপত্তাবোধ তৈরি করেছে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। তবে, কখন পর্যন্ত এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা চলমান থাকবে তা এখনও স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি।