গাজীপুরের কাপাসিয়ায় পাঁচ খুনের ঘটনায় তিন দিনেও অভিযুক্ত গৃহকর্তা ফোরকান মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গত শনিবার সকালে শারমিন আক্তার, তাঁর তিন মেয়ে ও শ্যালক রসুল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার হয়। হত্যা মামলায় ফোরকানকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। তদন্তে শারমিনের সাজানো পোশাক ও অলংকার রহস্যজনক বলে মনে করছেন অনেকে। নিহতের বাবা একে ফোরকানের 'সাজানো নাটক' দাবি করেছেন।
ঘটনার বিবরণ
গত শনিবার সকালে কাপাসিয়ার একটি বাড়ি থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন শারমিন আক্তার, তাঁর তিন মেয়ে এবং শ্যালক রসুল মিয়া। পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় বাড়িতে কেবলমাত্র শারমিন ও তাঁর সন্তানরা ছিলেন। শ্যালক রসুল মিয়া বেড়াতে এসেছিলেন।
পুলিশের তৎপরতা
ঘটনার পর থেকেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তবে অভিযুক্ত গৃহকর্তা ফোরকান মিয়াকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি। পুলিশ জানায়, ফোরকান পলাতক রয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মামলায় তাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
রহস্যজনক দিক
তদন্তে দেখা গেছে, শারমিনের মরদেহের পোশাক ও অলংকার সাজানো ছিল। এই বিষয়টি রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা। নিহতের বাবা দাবি করেছেন, এটি ফোরকানের 'সাজানো নাটক'। তিনি বলেন, 'ফোরকান আগে থেকেই পরিকল্পনা করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।'
পরিবারের অবস্থান
নিহতের পরিবার দ্রুত ফোরকানের গ্রেপ্তার দাবি করেছে। তারা বলেছে, পুলিশ যেন দ্রুত তাকে আটক করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে। স্থানীয় এলাকাবাসীও ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আসামির দ্রুত গ্রেপ্তার চায়।
পুলিশের বক্তব্য
পুলিশ জানিয়েছে, ফোরকানকে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে। শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে পুলিশ। তদন্তের জন্য একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করেছে।



