বীরত্ব, সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় সেবামূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি বছর পুলিশ সদস্যদের বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) এবং রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়া হয়। বিগত বছরের কর্মদক্ষতা ও অবদানের মূল্যায়নের ভিত্তিতে চারটি ক্যাটাগরিতে এই পদক দেওয়া হয়।
পদক প্রদান অনুষ্ঠান
পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আগামী ১০ মে প্রধানমন্ত্রী পদকপ্রাপ্তদের আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক পরিয়ে দেবেন। প্রথমবার পদকপ্রাপ্তদের নামের শেষে ‘বিপিএম’ বা ‘পিপিএম’ উপাধি যুক্ত হয়। একই পদক একাধিকবার অর্জন করলে নামের সঙ্গে ‘বিপিএম (বার)’ বা ‘পিপিএম (বার)’ উল্লেখ করা হয়।
এবারের পদকপ্রাপ্তরা
পুলিশ সদর দফতরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও সাহসিকতা ও সেবামূলক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ১০৭ সদস্যকে বিপিএম ও পিপিএম পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে জীবন উৎসর্গকারী অনেক সদস্যকেও মরণোত্তর এই পদকে ভূষিত করা হয়।
বিপিএম পদকপ্রাপ্তদের সুবিধা
সংশ্লিষ্টরা জানান, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি হিসেবে ‘বিপিএম’ দেওয়া হয়। এছাড়া সৃজনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে পুলিশিং কার্যক্রমে গতি আনা, দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়নে অবদান রাখা, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধী গ্রেফতার কিংবা দায়িত্ব পালনে সততা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপনকারীরা ‘বিপিএম (সেবা)’ পদকের জন্য নির্বাচিত হন। এই পদকপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সদস্যরা এককালীন ৭৫ হাজার টাকা আর্থিক পুরস্কার পেয়ে থাকেন। এছাড়া প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা অতিরিক্ত ভাতা পেয়ে থাকেন।
পিপিএম পদকপ্রাপ্তদের সুবিধা
পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধি, উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে অবদান, গুরুত্বপূর্ণ তদন্তে সাফল্য এবং দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলার স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয় ‘পিপিএম (সেবা)’ পদক। পিপিএম পদকপ্রাপ্ত সদস্যরা এককালীন ৫০ হাজার টাকা আর্থিক পুরস্কার পেয়ে থাকেন। এছাড়া প্রতি মাসে এক হাজার টাকা ভাতা পাবেন।



