মোহাম্মদপুরে র‍্যাবের অভিযানে দেড় হাজার অপরাধী গ্রেপ্তার
মোহাম্মদপুরে র‍্যাবের অভিযানে দেড় হাজার অপরাধী গ্রেপ্তার

র‍্যাব-২ এর অধিনায়ক খালিদুল হক হাওলাদার জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় শুধু র‍্যাবের অভিযানেই প্রায় দেড় হাজার অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য দেন।

আইনের ফাঁকফোকরে অপরাধীরা বারবার অপরাধ করছে

খালিদুল হক বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মোহাম্মদপুর অঞ্চলের মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী ও কিশোরগ্যাংয়ের সদস্য। আইনি জটিলতার কারণে তারা জামিনে ছাড়া পেয়ে আবার অপরাধে জড়াচ্ছে। এমনকি একই অপরাধীকে দুইবার, তিনবার গ্রেপ্তার করা হলেও তারা ছাড়া পেয়ে ফের অপরাধ করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, একজন অপরাধী যতবার অপরাধ করবে, কোনোবারই ছাড় দেওয়া হবে না। বর্ধিত সাজার বিধান রয়েছে, যা অপরাধীরা নিজেদের ক্ষতি করছে।

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে খালিদুল হক বলেন, বর্তমানে তেমন কোনো আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে না। তবে র‍্যাব যেকোনো ঝুঁকি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যবস্থা নিচ্ছে। র‍্যাব-২ এর আওতাধীন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সরকারি অফিস ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট ভবনের নিরাপত্তায় টহল ও গোয়েন্দা দল নিয়োজিত রয়েছে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সক্রিয় রয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সোমবার ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‍্যাব-২ তিনটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশি একনলা বন্দুক, ৩৭টি গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন, দুটি চাপাতি ও ১ লাখ ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

র‍্যাব-২ অধিনায়ক খালিদুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে একটি বিদেশি পিস্তল ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুর মডেল থানা থেকে লুট করা হয়। ফোরকান আলী (৬৫) নামে এক পেশাদার অস্ত্র ব্যবসায়ীকে শাহ আলী এলাকা থেকে ওই পিস্তল, চারটি গুলি ও একটি ম্যাগাজিনসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে পটুয়াখালীতে ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা, রামপুরা থানায় হত্যা মামলা ও ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় ডাকাতির মামলা রয়েছে।

মোহাম্মদপুরের তুরাগ হাউজিং এলাকা থেকে সাত হাজার পিস ইয়াবা ও একটি বিদেশি রিভলবারসহ আবদুর রহমান ওরফে রহমত উল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বছিলা সিটি হাউজিং এলাকা থেকে এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়। চানমিয়া হাউজিং এলাকা থেকে নুর হোসেন নামে একজনকে ৯৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। ফকিরাপুল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ৩৩টি গুলিসহ মনিরুল ইসলাম ওরফে রাডার মনিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। মোহাম্মদপুরের সাতমসজিদ হাউজিং এলাকা থেকে ছিনতাইয়ের সময় মো. আমিন ও নূরনবীকে দুটি চাপাতিসহ গ্রেপ্তার করা হয়।