চট্টগ্রামে ছাত্রদলের হামলায় শিবিরকর্মীর পায়ের গোড়ালি কাটা, অবস্থা সংকটাপন্ন
ছাত্রদলের হামলায় শিবিরকর্মীর পায়ের গোড়ালি কাটা

চট্টগ্রামে ছাত্রদলের হামলায় শিবিরকর্মীর পায়ের গোড়ালি কাটা, অবস্থা সংকটাপন্ন

চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত শিবিরকর্মী আশরাফুল ইসলামের পায়ের গোড়ালি কেটে ফেলা হয়েছে। তার অবস্থা বর্তমানে সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। উন্নত চিকিৎসার জন্য বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তাকে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) পাঠানো হয়েছে।

সংঘর্ষের বিস্তারিত ও আহতের সংখ্যা

রাতে ছাত্রশিবিরের মহানগর দক্ষিণ শাখার প্রচার সম্পাদক জাহিদুল আলম জয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, 'ছাত্রদল হামলা চালিয়ে আশরাফুল ইসলামের পায়ের গোড়ালি কেটে ফেলেছে। তার অবস্থা সংকটাপন্ন। চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।' আহতের পর থেকে আশরাফুল নগরের বেসরকারি হাসপাতাল পার্কভিউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সিটি কলেজে ছাত্রদলের দুই দফায় হামলায় শিবিরের ৩০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে আশরাফুলের অবস্থা সবচেয়ে গুরুতর। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কর্মীরা ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা ব্যবহার করেছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংঘর্ষের কারণ ও সময়কাল

গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজের দেয়ালের গ্রাফিতিতে 'গুপ্ত' শব্দ লেখা নিয়ে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দুই দফায় এই সংঘর্ষ চলে। কলেজ সূত্রে জানা গেছে, কলেজের দেয়ালের একটি গ্রাফিতিতে লেখা ছিল—'ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গত সোমবার কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতাকর্মী গিয়ে 'ছাত্র' শব্দটি মুছে দেন। পরে সেখানে 'গুপ্ত' শব্দটি লিখে দেন তারা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরদিন সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে দুই পক্ষই দাবি করেছে।

চিকিৎসা ও পরিস্থিতি

আশরাফুল ইসলামের গুরুতর আহত হওয়ার পর তাকে প্রথমে পার্কভিউ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে অবস্থার অবনতি ঘটায় চিকিৎসকরা তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলমান এবং অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।