মন্ত্রী আমিন উর রশিদের দায়িত্ব কমলো, প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীর দায়িত্ব বাড়লো
মন্ত্রী আমিন উর রশিদের দায়িত্ব কমলো, প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীর দায়িত্ব বাড়লো

মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল: আমিন উর রশিদের দায়িত্ব কমলো, আব্দুল বারীর দায়িত্ব বাড়লো

বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভায় উল্লেখযোগ্য রদবদল সংঘটিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশে মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের দায়িত্ব কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীর দায়িত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।

দপ্তর পুনর্বণ্টনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

বুধবার (২৫ মার্চ) তারিখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই দুই রাজনীতিবিদের দপ্তর পুনর্বণ্টন করে দিয়েছেন বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে নিশ্চিত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত সরকারের মন্ত্রিসভায় চলমান রদবদলের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মন্ত্রী আমিন উর রশিদের দায়িত্ব পরিবর্তন

পূর্বে মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ একসাথে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • খাদ্য মন্ত্রণালয়
  • কৃষি মন্ত্রণালয়
  • মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তার দায়িত্ব থেকে খাদ্য মন্ত্রণালয় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে তিনি শুধুমাত্র কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীর দায়িত্ব বৃদ্ধি

অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী আগে কেবলমাত্র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও এখন থেকে তিনি নতুন করে খাদ্য মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্ব সামলাবেন। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে তার প্রশাসনিক ভূমিকা উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হলো।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে বিএনপি সরকার গঠন করে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শুরুতে মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী থাকলেও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রদবদলে এর সংখ্যায় পরিবর্তন আসতে থাকে। সরকার গঠনের পর থেকে এটিই মন্ত্রিসভার একটি উল্লেখযোগ্য পুনর্গঠন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই দপ্তর পুনর্বণ্টন সরকারের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও সুসংগঠিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বিশেষ করে খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি খাতের উন্নয়নে এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।