আগামী ৩ মে শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক সম্মেলন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মতিতে উদ্বোধন
বাংলাদেশ সরকারের লোগোচলতি বছরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন আগামী ৩ মে শুরু হবে এবং ৬ মে পর্যন্ত চলবে। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনের উদ্বোধন করতে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এটি নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথম জেলা প্রশাসক সম্মেলন হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, যা মাঠ প্রশাসনের উন্নয়ন ও সমন্বয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সম্মেলনের স্থান ও সময়সূচিতে পরিবর্তন
এর আগে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতো, আর কার্য-অধিবেশন হতো ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে। তবে এবার পুরো সম্মেলনই ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে, যা একটি নতুন ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সব মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, সচিব, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের একান্ত সচিবদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির কথা জানিয়ে একটি চিঠি দিয়েছে।
চিঠিতে সম্মেলনের তারিখ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সম্মেলন চলাকালে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবেরা উপস্থিত থেকে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের মূল্যবান উপদেশ ও দিকনির্দেশনা দেবেন। এ জন্য পূর্বপ্রস্তুতি নিতেও বলা হয়েছে, যাতে সম্মেলনটি সফলভাবে সম্পন্ন হতে পারে।
জেলা প্রশাসক সম্মেলনের গুরুত্ব ও উদ্দেশ্য
প্রতিবছর মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ডিসি ও কমিশনারদের নিয়ে ঢাকায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তত্ত্বাবধান করে। এই সম্মেলনে মন্ত্রী-সচিবদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্পর্কে ডিসিদের দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হয়। ডিসিরা মাঠপর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে থাকেন এবং সরকারের নীতিনির্ধারণী বিষয়, উন্নয়ন কর্মসূচি ও অন্যান্য বিষয়ে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।
এ জন্য ডিসি সম্মেলন এবং সম্মেলনে ডিসিদের দেওয়া প্রস্তাবকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও গতিশীল করতে সহায়তা করে। নতুন সরকারের অধীনে এই প্রথম সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হওয়ায়, এটি ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নীতিনির্ধারণে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করতে পারে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা ও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা মাঠ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন। এই সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আরও সমন্বয় ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।



