প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারে উপদেষ্টাদের দফতর বণ্টন: আটজনের দায়িত্ব চূড়ান্ত
তারেক রহমান সরকারে আট উপদেষ্টার দফতর বণ্টন চূড়ান্ত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারে উপদেষ্টাদের দায়িত্ব বণ্টন চূড়ান্ত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগপ্রাপ্ত উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে আটজনের দফতর বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সরকার মোট দশজন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দিয়েছিল, যার মধ্যে আজ আটজনের দফতর চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হলো।

মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের দায়িত্ব

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচজন উপদেষ্টাকে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে:

  • রাজনৈতিক উপদেষ্টা: সিনিয়র নেতা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান এবং রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
  • জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়: মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
  • অর্থ মন্ত্রণালয়: অর্থনীতিবিদ রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের দায়িত্ব

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার তিনজন উপদেষ্টাকে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে, যা নিম্নরূপ:

  1. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
  2. শিক্ষা ও শ্রম সেক্টর: মাহদী আমিনকে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান—এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
  3. তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান: রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায় মনে করছে, নতুন এই দফতর বণ্টনের ফলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রমে আরও গতি ও দক্ষতা আসবে। গত মঙ্গলবার নিয়োগপ্রাপ্ত দশজন উপদেষ্টার মধ্যে আটজনের দফতর এখন চূড়ান্ত হয়েছে, এবং বাকি দুই উপদেষ্টার দফতর বিষয়ে পরবর্তীতে জানানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপটি নতুন সরকারের কার্যক্রমকে সুসংহত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।