প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন সম্পন্ন
নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন সম্পন্ন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে

নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন সম্পন্ন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণের পর, রাতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে এই দপ্তর বণ্টনের বিষয়টি নিশ্চিত করে। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন করেন, যা এবারও অনুসরণ করা হয়েছে।

পূর্ণ মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন: প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজের হাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্ব রাখার পাশাপাশি, অন্যান্য পূর্ণ মন্ত্রীদেরও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইকবাল হাসান মাহমুদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

এছাড়াও, এ জেড এম জাহিদ হোসেন নারী ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আব্দুল আউয়াল মিন্টু পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। অন্যান্য পূর্ণ মন্ত্রীদের মধ্যে মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়, নিতাই রায় চৌধুরী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব: সহযোগী ভূমিকায় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়

প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং শরীফুল আলম বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। শামা ওবায়েদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং কায়সার কামাল ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।

অন্যান্য প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে ফরহাদ হোসেন আজাদ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং হাবিবুর রশিদ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। মো. রাজিব আহসান রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, মো. আব্দুল বারী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং মীর শাহে আলম স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।

এছাড়াও, মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (জোনায়েদ সাকি) অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, ইশরাক হোসেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ফারজানা শারমীন নারী ও শিশুবিষয়ক ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং শেখ ফরিদুল ইসলাম পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। মো. নুরুল হক নুর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ইয়াসের খান চৌধুরী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং এম ইকবাল হোসেইন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।

অন্যান্য প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে এম এ মুহিত স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ববি হাজ্জাজ শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এই দপ্তর বণ্টন নতুন সরকারের কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।