ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির শিশুহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার শিশুহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দেশটির বিরুদ্ধে সংঘটিত শিশুহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনায় জড়িতদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তিনি এসব ঘটনার জন্য দায়ীদের গ্রেফতার করে জবাবদিহির মুখোমুখি করার আহ্বান জানান।

বিচার বিভাগীয় সপ্তাহের বার্তায় খামেনির বক্তব্য

দেশের বিচার বিভাগীয় সপ্তাহ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, মিনাব ও লামার্দে সংঘটিত শিশুহত্যা এবং যুদ্ধাপরাধের বিচার দেশীয় আদালতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আদালতেও হওয়া উচিত। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের জুন এবং ২০২৬ সালের মার্চে সংঘটিত যুদ্ধের সময় ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে যেসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেগুলোর জন্য দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

অপরাধের হোতাদের জবাবদিহি

খামেনি বলেন, ‘এই অপরাধের হোতাদের অবশ্যই গ্রেফতার করে এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে।’ তার ভাষ্য, এসব অভিযোগ শত শত, এমনকি হাজার হাজার গুরুত্বপূর্ণ আইনি মামলার মধ্যে অন্যতম, যেগুলো দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে গুরুত্বের সঙ্গে অনুসরণ করা প্রয়োজন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযুক্ত ঘটনাগুলোর বিবরণ

তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত ঘটনাগুলোর মধ্যে মিনাব ও লামার্দে শিশুহত্যা, চিকিৎসা ও সেবাকেন্দ্রে হামলা এবং সাইয়েদ আলী খামেনিকে গুপ্তহত্যার চেষ্টা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া এসব ঘটনার ফলে ইরানি জনগণের ওপর ব্যাপক শারীরিক, মানসিক ও বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিচার বিভাগের দায়িত্ব

বিচার বিভাগের দায়িত্ব প্রসঙ্গে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিচার বিভাগের দায়িত্ব হলো জনগণের অধিকার রক্ষা করা, জনস্বার্থ ও বৈধ স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা, দুর্নীতি দমন করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, আইন সমুন্নত রাখা এবং আইনের বাস্তবায়ন তদারকি করা।’

তথ্যসূত্র: ডন

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ