ইউনেস্কো-এপিসিআইসি সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়াংজু শহরে আগামী ১৩ থেকে ১৫ মে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস সিটিস ফোরামের (WHRCF) ২০২৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ সেশনে অংশগ্রহণের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পেয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ইউনেস্কো-এপিসিআইসির (UNESCO-APCIC) পক্ষ থেকে সম্প্রতি তাকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আমন্ত্রণের প্রেক্ষাপট
জানা গেছে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধি হিসেবে এই সেশনে যোগদানের জন্য তার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। ফোরামের আয়োজক সংস্থা জিআইসির (GIC) অন্তর্গত ডব্লিউএইচআরসিএফ (WHRCF) সচিবালয়ের এপিসিআইসি সমন্বয়কারী অ্যামি পার্ক এক ইমেইল বার্তায় এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমন্ত্রণপত্রে আয়োজক সংস্থা উল্লেখ করেছে যে, আসিফ মাহমুদের অংশগ্রহণ এই সেশনে নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং শহরগুলোর মধ্যে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার সুযোগ অন্বেষণে সহায়ক হবে।
ইউনেস্কো-এপিসিআইসির ভূমিকা
সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইউনেস্কো-এপিসিআইসি (Asia-Pacific Coalition of Inclusive Cities) মূলত এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শহরগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই নগর পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করে। শহরগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়ণের সেরা পদ্ধতিগুলো শেয়ার করার লক্ষ্যে এই ফোরামটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।
উল্লেখ্য, ইউনেস্কো এপিসিআইসি মূলত ইউনেস্কোর ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিশন অফ ইনক্লুসিভ অ্যান্ড সাসটেইনেবল সিটিস (ICCAR)-এর সাতটি আঞ্চলিক জোটের অন্যতম একটি শক্তিশালী সংগঠন, যা ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী নগর উন্নয়নে কাজ করে আসছে। এই সংগঠনটি শহরগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়াতে নিয়মিত সম্মেলন ও ফোরামের আয়োজন করে থাকে।
সম্মেলনের গুরুত্ব
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস সিটিস ফোরাম ২০২৬ একটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সম্মেলন, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন শহরের প্রতিনিধিরা মানবাধিকার, নগর উন্নয়ন ও টেকসই নীতি নিয়ে আলোচনা করবেন। দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়াংজু শহরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ায় এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শহরগুলোর জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আসিফ মাহমুদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
এই আমন্ত্রণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও নাগরিক ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সহায়ক হতে পারে।



