সাগর-রুনি হত্যার বিচার না হওয়ায় সাংবাদিক নেতাদের তীব্র সমালোচনা
সাগর-রুনি হত্যার বিচার না হওয়ায় সাংবাদিক নেতাদের সমালোচনা

সাগর-রুনি হত্যার বিচার না হওয়ায় সাংবাদিক নেতাদের তীব্র প্রতিবাদ

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার না হওয়ায় তদন্তে আন্তরিকতার অভাব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক নেতারা। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবিতে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তারা এই অভিযোগ তুলে ধরেন।

তদন্তে আন্তরিকতার অভাবের অভিযোগ

বক্তারা সমাবেশে বলেন, “এখন পর্যন্ত কোনও সরকারই এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে চায়নি। চাইলে এতদিন সময় লাগার কথা নয়। একে একে তিন সরকার এলো। কিন্তু সাগর-রুনি হত্যার বিচারের কোনও অগ্রগতিই হয়নি।” তারা আরও উল্লেখ করেন যে, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়েছে ১২৫ বার, যা চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার জন্য একটি অস্বাভাবিক ঘটনা।

সাংবাদিক নেতারা বিশ্বাস করেন, সরকার আন্তরিক থাকলে এমনটি হতো না। তারা বলেন, “নতুন সরকার আসছে। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে বর্তমান সরকার আন্তরিক থাকবে। তবে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে আমরা সরকারের কাছে স্মারকলিপি দেবো। এরপর একটি আন্দোলনে যাবো।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দেশের মানসম্মানের প্রশ্ন

তারা আরও মনে করেন, এত বছরেও সাগর-রুনি হত্যার বিচার না হওয়া শুধু সাংবাদিক অঙ্গনের জন্য লজ্জার নয়, বরং স্বাধীন দেশের মানসম্মানেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তারা জানান, এখন পর্যন্ত চারটি সংস্থাকে এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কেউই প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। বর্তমানে দায়িত্বে রয়েছে পিবিআই, কিন্তু আন্তরিকতার ঘাটতি থাকায় আজও এ হত্যাকাণ্ডের বিচার পাওয়া যায়নি।

সমাবেশে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ

ডিআরইউয়ের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের পরিচালনায় এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন
  • মাছরাঙা টেলিভিশনের হেড অব নিউজ হামিদুল হক
  • ডিআরইউয়ের সিনিয়র সদস্য মশিউর রহমান
  • সংগঠনের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক মাহমুদ সোহেল
  • সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশাহ
  • দফতর সম্পাদক রাশিম মোল্লাসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা

এই সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা সাগর-রুনি হত্যার বিচারের জন্য জোরালো দাবি জানিয়ে একটি শক্তিশালী আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন, যা দেশের গণমাধ্যম ও ন্যায়বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।