নারায়ণগঞ্জে স্ত্রীর গলায় ছুরি ধরে স্বামীকে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: স্ত্রীর গলায় ছুরি, স্বামী জিম্মি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ: স্বামীর গলায় ছুরি ধরে স্ত্রীকে জিম্মি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এক ভয়াবহ সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে অভিযুক্তরা বাসায় ঢুকে স্বামীর গলায় ছুরি ধরে স্ত্রীকে জিম্মি করে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) ভোরে উপজেলার তারাবো পৌরসভার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয় পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

অভিযোগের বিবরণ ও ঘটনার ক্রম

দুপুরে রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী নারী, যিনি ২৪ বছর বয়সী বলে জানা গেছে। অভিযোগে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের যাত্রামুড়া বউবাজার এলাকার বাসিন্দা আফজাল খান ও তার সহযোগী অজ্ঞাত এক যুবককে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বিকালে বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন।

থানায় দেওয়া অভিযোগ থেকে জানা যায়, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আফজাল খান তার এক সহযোগীকে নিয়ে ভুক্তভোগীর বাসায় ঢোকে। তারা প্রথমে ওই নারীর মুখ চেপে ধরে এবং গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ভয়ভীতি দেখায়। এ সময় তার স্বামী এগিয়ে এলে তাকেও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয়। অভিযুক্তরা হুমকি দেয়—তাদের কথা না শুনলে ভুক্তভোগী, তার স্বামী এবং ঘুমন্ত শিশুসন্তানকে হত্যা করা হবে। একপর্যায়ে স্বামীর গলায় ছুরি ধরে প্রথমে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি এবং পরে আফজাল ওই নারীকে ধর্ষণ করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের প্রতিক্রিয়া ও তদন্তের আশ্বাস

ওসি সবজেল হোসেন বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনা সমাজে নারী নির্যাতনের ভয়াবহতা এবং অপরাধীদের সাহসিকতার একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে যে, তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে, যা ভুক্তভোগী পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারে।