গাইবান্ধায় প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইল, যুবক গ্রেফতার
গাইবান্ধায় প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, গ্রেফতার

গাইবান্ধায় প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইল, যুবক গ্রেফতার

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক যুবক প্রবাসীর স্ত্রীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেছেন। এরপর সেই ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং একাধিকবার পুনরায় ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে পুলিশ অভিযুক্ত নাইম হোসেনকে গ্রেফতার করেছে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

গ্রেফতারকৃত নাইম হোসেন (৩৩) গাইবান্ধার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের লালপুকুর মোল্লাপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে। জানা গেছে, বেশ কিছুদিন আগে মোবাইলের মাধ্যমে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে নাইমের পরিচয় হয়। এই সূত্র ধরে তিনি প্রায় প্রতিদিন ওই নারীর সঙ্গে দেখা করতে চাইতেন।

গত ৪ মার্চ সন্ধ্যার পর বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে নাইম হোসেন প্রবাসীর বাড়িতে গিয়ে হাজির হন। সেখানে তিনি সুযোগ বুঝে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন এবং এই অপরাধের ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ব্ল্যাকমেইল ও হুমকির পালা

ধর্ষণের পর থেকে নাইম হোসেন প্রবাসীর স্ত্রীকে ফোন করে হুমকি দিতে শুরু করেন। তিনি দাবি করেন যে, যদি তার সঙ্গে প্রতিদিন শারীরিক সম্পর্ক না করা হয় অথবা পাঁচ লাখ টাকা না দেওয়া হয়, তাহলে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এছাড়াও, এই অশ্লীল ভিডিও তার স্বামীর কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন তিনি।

এইভাবে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে নাইম হোসেন একাধিকবার প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে কোনো উপায় না পেয়ে ওই নারী গোবিন্দগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশের তৎপরতা ও গ্রেফতার

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই প্রদীপ কুমার বর্মণ জানান, অভিযুক্ত নাইম হোসেনকে বৃহস্পতিবার ভোররাতে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বাগদা বাজারের একটি পানের দোকান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক বলেন, গ্রেফতারকৃত নাইম হোসেনকে বৃহস্পতিবার সকালে গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের বিচারক আবেদনের শুনানি শেষে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এই ঘটনায় পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ প্রশংসিত হয়েছে, তবে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।