ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর ছবি ও পরিচয় প্রকাশের অভিযোগে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজিপি, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও কক্সবাজারের পুলিশ সুপার বরাবর এই নোটিশ পাঠানো হয়।
আইনজীবীর বক্তব্য
এ নোটিশের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু বলেন, ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব এমন ছবি কিংবা তথ্য প্রকাশ করা আইন, মানবাধিকার এবং ভিকটিম সুরক্ষার নীতিমালার পরিপন্থী। এ বিষয়ে হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও রয়েছে। তাই এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
ভবিষ্যতে প্রতিরোধের পদক্ষেপ
এ ছাড়াও ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশের সকল ইউনিট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করতেও অনুরোধ করা হয়েছে, বলেও জানান এ আইনজীবী।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আইনজীবী আরও উল্লেখ করেন, ধর্ষণের শিকার ব্যক্তির পরিচয় গোপন রাখা শুধু আইনগত বাধ্যবাধকতা নয়, বরং ভিকটিমের মানসিক ও সামাজিক সুরক্ষার জন্যও জরুরি। ভুক্তভোগীর ছবি বা তথ্য প্রকাশ করলে তার পুনর্বাসন ও বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো নোটিশে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর নির্দেশনা জারির অনুরোধ করা হয়।



