বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন দিনের ভারত সফর শেষে আজ দেশে ফিরেছেন। সফরকালে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে?
বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় নেতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অর্থনৈতিক সহযোগিতা
ভারত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার। সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। শেখ হাসিনা ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারত বাংলাদেশ থেকে বিদ্যুৎ আমদানি বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে। বর্তমানে বাংলাদেশ ভারত থেকে প্রায় ১,১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছে।
জ্বালানি ও পরিবেশ
দুই দেশ জ্বালানি নিরাপত্তা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যৌথ গবেষণা ও প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়।
আঞ্চলিক প্রসঙ্গ
সফরে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। ভারত বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
শেখ হাসিনা সফরকে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও বহুমাত্রিক। এই সফর সেই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।’



