এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। গবেষণাটি দাবি করে যে এই পরিবর্তন দেশের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ভূমিকা বাড়িয়েছে।
গবেষণার মূল ফলাফল
গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি স্বাধীন ও বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছেন। এই নীতির অধীনে বাংলাদেশ তার ঐতিহ্যবাহী মিত্রদের পাশাপাশি নতুন অংশীদারদের সাথেও সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। গবেষণাটি ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির রূপান্তর: শেখ হাসিনার যুগ’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তনের প্রভাব
গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির এই পরিবর্তন দেশটিকে আন্তর্জাতিক ফোরামে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনে সাহায্য করেছে। বিশেষ করে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদান এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষকদের মতে, এই পরিবর্তন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নত করতে সক্ষম হয়েছে। ভারত ও চীনের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি অন্যান্য দেশের সাথেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বেড়েছে। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এখন আরও নমনীয় এবং বাস্তবমুখী হয়েছে।
গবেষণার পদ্ধতি ও তথ্যসূত্র
গবেষণাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। এতে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণায় সরকারি নথি, বক্তৃতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদন ব্যবহার করা হয়েছে। ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি একটি নতুন দিগন্তে পৌঁছেছে।”



