প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফেরা, শ্রমবাজার খোলার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশে ফেরা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে শুক্রবার দেশে ফিরেছেন। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান। তবে পদ্ধতিগত কারণে তা খুলতে সময় লাগবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলা প্রসঙ্গে

মাহাদী আমিন বলেন, 'এটা আসলে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে না, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ওনাদের অভ্যন্তরীণ যে নীতিমালা রয়েছে, সে ইন্টারনাল প্রসিজার ফলো করার পরে যত দ্রুত সম্ভব যদি কোনও দেশের মার্কেট ওপেন করা হয়, তবে বাংলাদেশকে ফাস্ট ট্র্যাক করা হবে। প্রায়রিটাইজ করা হবে।'

এর আগে বাংলা ট্রিবিউন ‘মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার শিগগরই খোলার সম্ভাবনা নেই’ শীর্ষক প্রতিবেদন করেছিল। মাহাদী আমিন আরও বলেন, 'বাংলাদেশের এটি একটা অন্যতম স্বার্থের জায়গা, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর একান্তে কথা হয়েছে, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এবং তার আলোকে ডেফিনেটলি আমাদের যে রিকোয়েস্টগুলো রয়েছে উনারা ফাস্ট ট্র্যাকে যতটা আন্তরিকতার সঙ্গে যতটা সহমর্মিতার সাথে রয়েছে সেটাকে প্রসিড করার চেষ্টা করবেন ইনশাল্লাহ।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মিয়ানমার হয়ে করিডর প্রসঙ্গে

মিয়ানমার হয়ে করিডর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মাহাদী আমিন বলেন, 'এখানে তো অবশ্যই আমরা চাই ব্যবসার প্রসার হোক। বাণিজ্যে প্রসার হোক। তাহলে বাংলাদেশে ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন হবে। নতুন ইন্ডাস্ট্রি তৈরি হবে। ট্রেড ভলিউম বাড়বে। সুতরাং আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি। পরবর্তী সময়ে এটা তো এখনও একটা ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়নি। প্ল্যানিং স্টেজে যাবে এবং ফিজিবিলিটি করা হবে। বাট ইন জেনারেল আমরা তো চাই শুধু নির্দিষ্ট কোনও দেশ না, এর মাধ্যমে সাউথ ইস্টের অন্যান্য দেশের প্রতি মার্কেট একটা অবারিত উৎসব তৈরি হবে। আসিয়ান দেশগুলোর সাথে হয়তো বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। সুতরাং অবশ্যই এটা আমরা ইতিবাচকভাবে নিচ্ছি। পরবর্তী সময়ে সামনের দিনগুলোতে এটা একটা বিশাল মহাপরিকল্পনা। সেটি নিয়ে ডিটেইল স্টাডি করা হবে এবং আলোচনা করা হবে।'