প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায়ে অংশ নেওয়ায় ভারতকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছে ইরান। দিল্লির এই সংহতি প্রকাশকে দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের একটি ‘মূল্যবান নিদর্শন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তেহরান জানিয়েছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির জনগণ ভারতের এই বন্ধুত্বের কথা ‘কখনও ভুলবে না’।
খামেনির মৃত্যু ও শেষকৃত্যের প্রেক্ষাপট
গত ২৮ জানুয়ারি এক বিমান হামলায় খামেনি নিহত হন। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে ভারতের সরকার এবং সরকারি প্রতিনিধিদলের প্রতি ‘আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও গভীর প্রশংসা’ প্রকাশ করেছে ইরানি দূতাবাস।
ভারতীয় প্রতিনিধিদল
ভারত সরকারের পক্ষে গত ৩ জুলাই সপ্তাহব্যাপী এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিহারের রাজ্যপাল সৈয়দ আতা হাসনাইন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্গেরিটা। এ ছাড়া জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা সালমান খুরশিদও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
ইরানি দূতাবাসের বিবৃতি
ইরানি দূতাবাস জানায়, ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, পণ্ডিত, বুদ্ধিজীবী এবং বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের এই উপস্থিতি জাতীয় শোকের এই সময়ে ইরানি জনগণের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আন্তরিক সংহতিরই বহিঃপ্রকাশ।
খামেনির মরদেহের পরবর্তী গন্তব্য
সোমবার তেহরানের কেন্দ্রস্থলে বিশাল শোক মিছিলের পর খামেনির মরদেহটি মঙ্গলবার ইরানের শিয়া ধর্মীয় বিশ্বাসের কেন্দ্রস্থল কোম নগরীতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখান থেকে বুধবার মরদেহটি বিমানযোগে ইরাকের শিয়াদের দুই পবিত্র মাজার নগরী নাজাফ ও কারবালায় নিয়ে যাওয়া হবে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের জন্য। এরপর বৃহস্পতিবার মরদেহটি পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে এনে মাশহাদে আরেকটি শোক মিছিলের আয়োজন করা হবে।



