পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ঘটনাকে বাংলাদেশ স্বাগত জানিয়েছে। আজ সোমবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
চুক্তির বিবরণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি শান্তিচুক্তিতে সম্মত হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান প্রথমে এই ঘোষণা দেয়। পরে ওয়াশিংটন ও তেহরান বিষয়টি নিশ্চিত করে। আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়া
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হওয়াকে বাংলাদেশ আন্তরিকভাবে স্বাগত জানায়। বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে সংঘাত প্রশমনের আহ্বান জানিয়ে আসছে। পাশাপাশি সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। এই ইতিবাচক অগ্রগতিতে অবদান রাখা সব পক্ষ ও মধ্যস্থতাকারীর প্রচেষ্টার প্রশংসা করে বাংলাদেশ।
চুক্তিটি সদিচ্ছার সঙ্গে বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে চুক্তিটি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলেও আশা প্রকাশ করে বাংলাদেশ।
আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সর্বশেষ এই অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে বাকি বিষয়গুলো সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করতে সব পক্ষের প্রতি বাংলাদেশ আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি-স্থিতিশীলতা, সরবরাহশৃঙ্খল ও সহযোগিতা দ্রুত পুনঃস্থাপনের প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ।



