বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) ইতিহাস ও ঐতিহ্যবাহী জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ স্থানীয় সময় সকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে সিপিসির জাদুঘর পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী। জাদুঘরের কিউরেটর প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান এবং পুরো জাদুঘরটি ঘুরিয়ে দেখান।
জাদুঘর পরিদর্শন ও ইমার্সিভ শো
প্রধানমন্ত্রী তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের নিয়ে জাদুঘরের গ্যালারিগুলো ঘুরে দেখেন এবং একটি ইমার্সিভ অডিও-ভিজ্যুয়াল কোস্টার শো উপভোগ করেন। পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এরপর স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তিনি দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্টহাউসের উদ্দেশে জাদুঘর ত্যাগ করেন। এ সময় জাদুঘরের কিউরেটর তাঁকে বিদায় জানান।
তিয়েনআনমেন স্কয়ারে শ্রদ্ধা নিবেদন
এর আগে স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টায় সফরসঙ্গীদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনের বীরদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এরপর বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাউ লেজি।
দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক
পরে একই স্থানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে চারদিনের সরকারি সফরে চীন গেছেন প্রধানমন্ত্রী। গত ২১ জুন মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে তাঁর প্রথম সরকারি বিদেশ সফর শুরু হয়। পরে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সামার দাভোস ২০২৬-এ অংশ নিতে চীনের দালিয়ান শহরে যান। সেখানে দু'দিন বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পর বুধবার বিকেলে বেইজিং পৌঁছান।
বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লালগালিচা সংবর্ধনাসহ উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। পরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক আনুষ্ঠানিকভাবে সই হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা আজ স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।



