নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মন্ত্রীর বৈঠক: কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও জলবায়ু অভিযোজনে সহযোগিতা
নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মন্ত্রীর বৈঠক, কৃষি সহযোগিতা

নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মন্ত্রীর বৈঠক: কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও জলবায়ু অভিযোজনে সহযোগিতা

নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল রবিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন। এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং জলবায়ু অভিযোজন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রীর বক্তব্য: কৃষিনির্ভর অর্থনীতি ও সহযোগিতার সুযোগ

মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বৈঠকে বলেন, "বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এই দেশের মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং সারা বছরই এখানে ফসল উৎপাদন করা হয়। নেদারল্যান্ডসেও ব্যাপক কৃষিকাজ চলে। দেশের বিশাল চরাঞ্চলে জৈব শসা ও বেবি কর্ন চাষের পরিকল্পনা রয়েছে। কৃষি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য অসংখ্য সুযোগ বিদ্যমান।"

তিনি আরও যোগ করেন যে বাংলাদেশ বেসরকারি খাতের যেকোনো রপ্তানিমুখী উদ্যোগকে স্বাগত জানাবে। "নেদারল্যান্ডসের কোনো বেসরকারি কোম্পানি যদি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে চায়, বাংলাদেশ তা সাদরে গ্রহণ করবে।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাষ্ট্রদূতের আগ্রহ: উন্নত বীজ, শীতল শৃঙ্খল ও গ্রিনহাউস প্রযুক্তি

রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল বলেন, নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের মতোই একটি ব-দ্বীপ অঞ্চল। "আমাদের দেশ বাংলাদেশের কৃষি খাতে কাজ করতে আগ্রহী, বিশেষ করে উন্নত বীজ, শীতল শৃঙ্খল, উদ্যানপালন ও জলজ পালন ক্ষেত্রে।"

তিনি বাংলাদেশকে গ্রিনহাউস প্রযুক্তি সহায়তা প্রদান এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুণগত নিয়ন্ত্রণ ও প্রোটোকল সুবিধা দিতে তার দেশের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ

  • জৈব শসা ও বেবি কর্ন চাষের জন্য চরাঞ্চলের ব্যবহার
  • উন্নত বীজ ও শীতল শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা
  • উদ্যানপালন ও জলজ পালনে প্রযুক্তিগত সহায়তা
  • গ্রিনহাউস প্রযুক্তি ও গুণগত নিয়ন্ত্রণ সুবিধা
  • রপ্তানিমুখী বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ

এই বৈঠকটি দুই দেশের মধ্যে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি সহায়ক হতে পারে।