বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাই কমিশনার হতে যাচ্ছেন বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদী
বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশনার হতে যাচ্ছেন দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাই কমিশনার হতে যাচ্ছেন বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদী

ভারত সরকার বাংলাদেশে তাদের পরবর্তী হাই কমিশনার হিসেবে বিজেপি নেতা ও সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এটি একটি উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত, কারণ দীর্ঘ সময় পর কোনো পেশাদার কূটনীতিকের পরিবর্তে একজন রাজনীতিবিদকে ঢাকায় এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়া ও পূর্ববর্তী হাই কমিশনার

বর্তমানে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনরত হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হবেন দীনেশ ত্রিবেদী। প্রণয় ভার্মা ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় তার দায়িত্ব পালন করছেন। ইতোমধ্যে তাকে বেলজিয়াম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার ৭৫ বছর বয়সী দীনেশ ত্রিবেদীকে এই পদে মনোনীত করেছে।

তবে তার নিয়োগ কার্যকর হতে হলে বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন। আনন্দবাজার পত্রিকার খবর অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন শেষ হওয়ার পর যদি কোনো পরিবর্তন না আসে, তাহলে তাকে ঢাকায় পাঠানোর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, এটি ভারতের কূটনৈতিক নীতিতে একটি নতুন দিক নির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপট

২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা অবনতি ঘটে। পরবর্তীতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ শুরু হয়। এই প্রেক্ষাপটে দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দীনেশ ত্রিবেদী একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, যিনি ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নিয়োগ দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংলাপকে আরও জোরদার করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এই পদক্ষেপ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।