শান্তি ফোরামে অংশ নিতে সেনেগাল গেলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশগ্রহণের জন্য সেনেগালের রাজধানী ডাকারে চার দিনের একটি সফরে গেছেন। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ বৈশ্বিক শান্তি আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
সফরের সময়সূচি ও উদ্দেশ্য
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি অনুযায়ী, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) সকালে ঢাকা থেকে ডাকারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। তিনি 'ডাকার ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম অন পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি' নামক এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন, যা আগামী ১৯ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
এই ফোরামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং বর্তমান সময়ের জটিল চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে গভীর আলোচনা করবেন। প্রতিমন্ত্রী ইসলামের উপস্থিতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকারগুলোর প্রতিফলন ঘটাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ফোরামের গুরুত্ব ও প্রত্যাশা
ডাকার ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম অন পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি আফ্রিকা মহাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক মঞ্চ হিসেবে পরিচিত, যেখানে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হবে:
- বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা
- আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলার কৌশল নির্ধারণ
- জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাসবাদ এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতার মতো সমসাময়িক চ্যালেঞ্জগুলো সমাধানের পথ খোঁজা
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, "প্রতিমন্ত্রীর এই সফর বাংলাদেশের জন্য একটি কূটনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করবে, যেখানে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় করতে পারবেন এবং বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরতে পারবেন।"
ফেরার তারিখ ও সফরের তাৎপর্য
সফর শেষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম আগামী ২৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে। এই সফরটি বাংলাদেশ-সেনেগাল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে বলে বিশ্লেষকরা মত দিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, শামা ওবায়েদ ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পররাষ্ট্র বিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন, যা দেশের কূটনৈতিক অগ্রগতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।



