শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ আবেদন পর্যালোচনা করছে ভারত সরকার
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ আবেদন পর্যালোচনা করছে ভারত

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ আবেদন ভারতের আইনি প্রক্রিয়ায়

ভারত সরকার বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ আবেদনটি বর্তমানে তাদের প্রচলিত আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আলোকে পর্যালোচনা করছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, 'প্রত্যর্পণের অনুরোধটি আমাদের অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে'

আইনি ধাপে ধাপে পর্যালোচনা

ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালে তারা প্রথমবারের মতো এ ধরনের আবেদন গ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করেছে। এরপর থেকে এটি ধাপে ধাপে দেশের আইনগত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই পর্যালোচিত হচ্ছে। রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, 'আমরা সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে এ বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাব এবং পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছি'

রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ও অবস্থান

২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। জুলাইয়ের গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা হারানো এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যর্পণ আবেদনটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে করা হয়েছে। পরিস্থিতিটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্পর্শকাতর হলেও দিল্লি স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার দিকেই অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের ইচ্ছা

রণধীর জয়সওয়াল জানান, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন সরকারকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • বাণিজ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি
  • জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়ে সমন্বয়
  • আঞ্চলিক নিরাপত্তা খাতে যৌথ উদ্যোগ

উভয় দেশই আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কাজ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এই আলোচনাগুলো চলমান আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।