তুরস্কে আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
তুরস্কে আনতালিয়া ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তুরস্কে আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

তুরস্কে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের পৃষ্ঠপোষকতায় আগামী ১৭ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পঞ্চম আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরাম। এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ফোরামে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল সকালে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেছেন এবং তুরস্কের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।

ফোরামের ফাঁকে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সাক্ষাতের সুযোগ

ফোরামের ফাঁকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিকেনের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়াও, পাকিস্তান, গাম্বিয়া এবং ফোরামে অংশ নিতে আসা কয়েকটি দেশের মন্ত্রী ও প্রতিনিধি প্রধানদের সঙ্গেও তার সাক্ষাতের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এই বৈঠকগুলো বাংলাদেশের জন্য কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার একটি মূল্যবান সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গত মার্চে তুরস্ক সফরের পুনরাবৃত্তি

উল্লেখ্য, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর গত মার্চের মাঝামাঝি সময়ে তুরস্ক সফর করেছিলেন খলিলুর রহমান। সে সময় তিনি ভোট চাইতে তুরস্ক সফরে যান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিকেনের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক পরিচালনা করেন। এবারের সফরটি সেই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং নতুন দিকনির্দেশনা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রচার

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে যোগ দেয়ার পাশাপাশি এই সফরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রচারের সুযোগ কাজে লাগাতে চাইবে বাংলাদেশ। এটি একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

এই ফোরামে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার কূটনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং বৈশ্বিক ইস্যুতে ভূমিকা রাখার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরটি দেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।