ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফাতহালি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ওয়াশিংটন যদি 'অবৈধ দাবি' করা থেকে বিরত থাকে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে তেহরান প্রস্তুত। সম্প্রতি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, পারমাণবিক কর্মসূচি, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলোই ছিল আলোচনার মূল বাধা হিসেবে চিহ্নিত।
আলোচনার শর্ত ও সম্ভাবনা
নয়া দিল্লিতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত ফাতহালি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র যদি আমাদের শর্তগুলো মেনে নেয়, তবে আলোচনা সম্ভব।' তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামাবাদে গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত ম্যারাথন সংলাপে কোনও আনুষ্ঠানিক চুক্তি না হলেও দুই দেশ কূটনৈতিক চ্যানেল সচল রাখার ব্যাপারে একমত হয়েছে।
তেহরানের দাবি ও অবস্থান
তবে তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, আলোচনার টেবিলে বসার আগে ওয়াশিংটনকে তাদের অবস্থান নমনীয় করতে হবে এবং অযৌক্তিক দাবি ত্যাগ করতে হবে। মূলত ইরানের পরমাণু সমৃদ্ধকরণ এবং গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলা যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়গুলোই এখন বড় অমীমাংসিত ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফাতহালির বক্তব্যে উঠে এসেছে যে, ইরান আলোচনার জন্য উন্মুক্ত, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শর্ত পূরণ জরুরি। তিনি বলেন, 'আমরা শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই, কিন্তু আমাদের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।' এই প্রেক্ষাপটে, ভবিষ্যৎ আলোচনার গতি নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের নমনীয়তার ওপর।



