বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দিন দিন স্বাভাবিক হচ্ছে: ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক হচ্ছে: প্রণয় ভার্মা

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দিন দিন স্বাভাবিক হচ্ছে: ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দিন দিন স্বাভাবিক হচ্ছে। তিনি সোমবার (১৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের শক্তিশালী ভিত্তি

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, দুদেশের মধ্যে আবেগ এবং সংস্কৃতির যে সম্পর্ক, সেটা ধরে রাখতে কাজ করছি। তিনি উল্লেখ করেন, দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী। দুই দেশের মধ্যে এনার্জি, যোগাযোগ, সংস্কৃতিসহ নানা বিষয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

একই সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য জনগণ ধারণ করে উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, যেসব এলাকায় কাজ করলে দুই দেশের জনগণই লাভবান হবে সেসব এলাকায় পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে কাজ করবে বাংলাদেশ-ভারত

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংসদীয় আদান-প্রদান অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার

এছাড়া দুই দেশের সংসদীয় কার্যক্রম নিয়মিত আদান প্রদান অব্যাহত রাখার বিষয়ে আলাপ হয়েছে বলেও জানান ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি বলেন, সংসদীয় পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল করবে

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কের উন্নয়নে উভয় দেশের সরকার ও জনগণের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন নতুন সম্ভাবনা অন্বেষণ করা হবে

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও শক্তিশালী করার জন্য যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন শুধু দুই দেশের জন্যই নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অঞ্চলের শান্তি ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে

সোমবারের সৌজন্য সাক্ষাৎটি বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উভয় পক্ষই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা ও উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানানো হয়েছে।