পাকিস্তান-ইরান বৈঠকে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদারের প্রতিশ্রুতি
পাকিস্তান-ইরান বৈঠকে আঞ্চলিক শান্তি জোরদারের প্রতিশ্রুতি

পাকিস্তান-ইরান বৈঠকে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদারের প্রতিশ্রুতি

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যেখানে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদারে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। শনিবার ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

বৈঠকের মূল বিষয়বস্তু

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার বরাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরানের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানান এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনে কার্যকর অগ্রগতি গড়ে তুলতে পাকিস্তানের 'আন্তরিক ভূমিকা' অব্যাহত থাকবে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরানি প্রতিনিধি দলকে আলিঙ্গন ও করমর্দনের মাধ্যমে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

অন্যান্য বৈঠক ও উপস্থিতি

এদিন তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন, যা আঞ্চলিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এসব বৈঠকে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার
  • সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির
  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি

বৈঠকে আঞ্চলিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং চলমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই বৈঠকগুলি মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পাকিস্তানের সক্রিয় ভূমিকার প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।

আঞ্চলিক প্রভাব

এই বৈঠকগুলির মাধ্যমে পাকিস্তান আঞ্চলিক শান্তি প্রক্রিয়ায় তার মধ্যস্থতাকারী অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করার চেষ্টা করছে, যা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন যে, চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে এই ধরনের আলোচনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে কাজ করতে পারে।