পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ৯ম ভারত মহাসাগর সম্মেলনে যোগ দিতে পোর্ট লুইসে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান পোর্ট লুইসে, সম্মেলনে যোগদান

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ৯ম ভারত মহাসাগর সম্মেলনে যোগ দিতে পোর্ট লুইসে পৌঁছেছেন

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মরিশাসের রাজধানী পোর্ট লুইসে পৌঁছেছেন। তিনি শুক্রবার শুরু হওয়া ৯ম ভারত মহাসাগর সম্মেলনে যোগ দিতে সেখানে অবস্থান করছেন। এই সম্মেলনে তিনি বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন এবং বাংলাদেশের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্বের দাবির জন্য সমর্থন চাইবেন।

সম্মেলনের উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব

এই সম্মেলনটি ভারত মহাসাগর অঞ্চলের দেশগুলোর নেতা, নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করবে। তারা আঞ্চলিক সহযোগিতা, ভাগাভাগি দায়িত্ব এবং ভবিষ্যত শাসন কাঠামো নিয়ে আলোচনা করবেন। সম্মেলনটি ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, মরিশাস সরকার এবং ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও জাতিসংঘের সভাপতিত্বের দাবি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, "সম্মেলনের পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর তার সমকক্ষদের সাথে বৈঠক করবেন। ঢাকা এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (২০২৬-২৭) সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার সমর্থন চাইবে।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এই সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে রয়েছেন। ড. রহমান বুধবার নয়া দিল্লিতে ভারতীয় নেতাদের সাথে একাধিক বৈঠক শেষ করে মরিশাসে যান।

অন্যান্য অংশগ্রহণকারী ও সম্মেলনের ইতিহাস

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্করও এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন এবং মূল বক্তব্য দেবেন। জয়শঙ্করের আমন্ত্রণে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিসির খানালও এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

২০১৬ সালে চালু হওয়া ভারত মহাসাগর সম্মেলনটি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি প্রায় ৩০টি দেশের প্রতিনিধিদের একত্রিত করে পারস্পরিক স্বার্থ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি করে।

এই সম্মেলনটি ভারত মহাসাগর অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহযোগিতামূলক উদ্যোগ নিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।