পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট বক্তব্য: শামা ওবায়েদ ইসলামের নামে ভুয়া ফটোকার্ড উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
শামা ওবায়েদ ইসলামের নামে ভুয়া ফটোকার্ড: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জোরালো প্রতিবাদ: শামা ওবায়েদ ইসলামের নামে ছড়ানো ফটোকার্ড সম্পূর্ণ মিথ্যা

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের নামে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ফটোকার্ডকে সম্পূর্ণ ভুয়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার (৩০ মার্চ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করে মন্ত্রণালয় এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া মিথ্যা তথ্যের বিস্তার

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি ফেসবুক, টুইটার এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি ফটোকার্ড ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের নাম জড়িয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। ভাইরাল হওয়া ফটোকার্ডে দাবি করা হয়েছিল যে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে তিনি অবমাননাকর ও নতজানু নীতির পক্ষে মন্তব্য করেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক বলে আখ্যায়িত করেছে। মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম কখনোই এমন কোনো বক্তব্য দেননি এবং এই ফটোকার্ডটি একটি সুপরিকল্পিত গুজব ছড়ানোর প্রচেষ্টা মাত্র।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রকৃত অবস্থান

বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রকৃত অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দেশের সার্বভৌম স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সম্মানজনক ও সমমর্যাদার সম্পর্ক বজায় রাখাই সরকারের অগ্রাধিকার।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো প্রকার গুজব বা অপতথ্যে বিভ্রান্ত না হয়ে নাগরিকদের সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা ও আহ্বান

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সকল নাগরিক, সাংবাদিক এবং সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে:

  • সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো অযাচিত ও অপ্রমাণিত তথ্য বিশ্বাস না করার জন্য।
  • যেকোনো সন্দেহজনক কনটেন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং তা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকা।
  • দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গুজব প্রতিরোধে ভূমিকা রাখা।

মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে দিয়েছে, ভুয়া তথ্য ছড়ানো এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টির মতো অপকর্মের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সাইবার সচেতনতার গুরুত্বকেও তুলে ধরেছে।