নেপালের আগ্রহ: সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণের প্রস্তাব
নেপালের আগ্রহ: সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিকীকরণ

নেপালের প্রস্তাব: সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিকীকরণে আগ্রহ

নেপাল বাংলাদেশের নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করে দেশটি এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। রোববার (২৯ মার্চ) বেলা ১১টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা)-এর দপ্তরে একটি সৌজন্য সাক্ষাতে এই বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাতের বিবরণ ও আলোচ্য বিষয়

বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যেখানে বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সাক্ষাতে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও নেপালের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার উপর গুরুত্বারোপ করে।

নেপালের রাষ্ট্রদূত তাদের বিমান ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশের সহযোগিতা চান এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। এই প্রস্তাবিত পরিকল্পনাটিকে আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ বাড়ানোর একটি কৌশলগত উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে নেপাল, ভুটান ও ভারতের কিছু এলাকার সরাসরি যোগাযোগ সহজ করবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আলোচনার অন্যান্য দিক ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা

আলোচনায় আকাশপথে যাত্রীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে এবং পর্যটক সংখ্যা বাড়াতে ঢাকা-কাঠমাণ্ডু রুটে ভাড়া নির্ধারণের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। পর্যটন খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ ও নেপাল যৌথভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী নেপালকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন, যা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও গভীর করতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র বিমান যোগাযোগই নয়, বরং অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনও শক্তিশালী করতে পারে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিকীকরণ প্রক্রিয়া সফল হলে এটি উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।