ভারতের সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার: শিগগিরই টুরিস্ট ভিসা চালু হবে, অতিরিক্ত টাকা দেবেন না
মনোজ কুমার: শিগগিরই টুরিস্ট ভিসা চালু, অতিরিক্ত টাকা নিষেধ

ভারতের সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার পাবনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন, যেখানে তিনি শিগগিরই টুরিস্ট ভিসা চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন। এছাড়াও, তিনি ভারতীয় ভিসা পাওয়ার জন্য অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যা বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বার্তা বয়ে এনেছে।

ঘোষণার সময় ও স্থান

শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে পাবনার হেমায়েতপুরে শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম পরিদর্শনকালে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনোজ কুমার এই ঘোষণা দেন। সভাটি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি প্রাণ শঙ্কর দাশের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক ড. নরেশ চন্দ্র মধুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক শ্রী তাপস চন্দ্র বর্মন।

টুরিস্ট ভিসা চালু ও আর্থিক নির্দেশনা

টুরিস্ট ভিসা সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মনোজ কুমার স্পষ্ট করে বলেন, শিগগিরই টুরিস্ট ভিসা চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকার নির্ধারিত টাকা ছাড়া ভিসার জন্য কোনো ব্যক্তি কাউকে অতিরিক্ত টাকা দিবেন না। আপনারা নিজেরা ফরম পূরণ করে নিজেরাই টাকা জমা দিবেন—এই বার্তা দিয়ে তিনি স্বচ্ছতা ও নিয়ম মেনে চলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। এ সময় আরও বক্তব্য দেন:

  • পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার
  • সম্পাদক জহুরুল ইসলাম
  • সাবেক সম্পাদক আঁখিনূর ইসলাম রেমন প্রমুখ

সভায় সৎসঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি শ্রী বিকাশ চন্দ্র, শ্রী হিরন্ময় ঘোষ, শ্রী সুদেব কুমার, শ্রী বলাই চন্দ্র সাহা, শ্রী চিত্তরঞ্জন দাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরিদর্শন ও অন্যান্য কার্যক্রম

সভা শেষে সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার সৎসঙ্গ নেতাদের সঙ্গে আশ্রমের বিভিন্ন আঙিনা পরিদর্শন করেন। এছাড়া, তিনি পাবনা শহরের কালাচাঁদপাড়া শ্রীশ্রী মহাদেব মন্দির (শিববাড়ী) পরিদর্শন করেন, যেখানে মন্দির কমিটির সভাপতি সুদর্শন তালুকদারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। এই পরিদর্শনগুলি স্থানীয় সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার ইঙ্গিত দেয়।

মনোজ কুমারের এই ঘোষণা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভ্রমণ সুবিধা বৃদ্ধির দিকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল করতে পারে।