বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন ও সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
প্রেস বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য
একটি প্রেস বিবৃতিতে মার্কো রুবিও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে, আমি বাংলাদেশের জনগণকে আপনার স্বাধীনতা দিবসের অভিনন্দন জানাই।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, “এই স্মরণোৎসবটি আসে যখন বাংলাদেশ সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর তার ইতিহাসের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছে।”
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে তার দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বকে মূল্য দেয়, যা একটি মুক্ত, উন্মুক্ত, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য একটি সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব শক্তিশালীকরণ
রুবিও বলেন, “আমরা উভয় দেশের জনগণের সুবিধার জন্য আমাদের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করার জন্য উন্মুখ।” তিনি আরও যোগ করেন, “বাংলাদেশ যখন এই গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষটি উদযাপন করছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সম্পর্ক গভীর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকে এবং তার উষ্ণ শুভেচ্ছা প্রেরণ করে।”
এই বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যত সহযোগিতার সম্ভাবনার উপর আলোকপাত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন দেশটির জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিনন্দন ও অঙ্গীকার বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতে যৌথ উদ্যোগের পথ প্রশস্ত করবে।



