ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযথ মর্যাদা, উদ্দীপনা ও উৎসবের মধ্য দিয়ে পালন করেছে। বৃহস্পতিবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হাইকমিশন প্রাঙ্গণ রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছিল।

পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত

সকালে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

আলোচনা সভা ও বাণী পাঠ

আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয়। এরপর মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রেস কাউন্সিলর মো. তায়াব আলীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা দিবসের উপর একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শিত হয়।

হাইকমিশনারের ভাষণ

অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান বীরাঙ্গনাদের, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এবং জাতির জন্য আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াবহ রাতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের নামে বাংলাদেশের নিরস্ত্র মানুষের উপর ইতিহাসের অন্যতম বর্বর গণহত্যা চালিয়েছিল।

তিনি ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সকলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রার্থনা ও মোনাজাত

আলোচনা শেষে ১৯৭১ সালের সকল শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা ও মোনাজাত করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ