স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন বার্তা পাঠালেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে একটি অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে এই বার্তা প্রেরণ করা হয়, যা দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও কৌশলগত সহযোগিতার প্রতিফলন ঘটায়।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মডেল হিসেবে উল্লেখ
বার্তায় শি জিনপিং উল্লেখ করেন যে, চীন ও বাংলাদেশ ভালো প্রতিবেশী, ভালো বন্ধু এবং ভালো অংশীদার হিসেবে কাজ করে চলেছে। তিনি বলেন, দুই দেশ সর্বদা পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে আচরণ করেছে, যা রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি উদাহরণস্বরূপ মডেল স্থাপন করেছে। এই সম্পর্কের মাধ্যমে তারা পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভূমিকা রেখেছে।
সহযোগিতা জোরদারের প্রতিশ্রুতি
চীনের রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, তিনি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন এবং রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। তার লক্ষ্যগুলির মধ্যে রয়েছে:
- রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা গভীর করা
- ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া
- বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা ও বিনিময় উন্নত করা
- কৌশলগত অংশীদারিত্বের ধারাবাহিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা
এই পদক্ষেপগুলি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যান্য উচ্চপদস্থ নেতাদের অভিনন্দন
একই দিনে, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একটি অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। এছাড়াও, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-ও এই বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই সমন্বিত বার্তা প্রেরণ চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের গভীরতা ও বহুমাত্রিক সহযোগিতার ইঙ্গিত দেয়, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।



