ঈদুল ফিতরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কূটনীতিকদের শুভেচ্ছা বিনিময়
ঈদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কূটনীতিকদের শুভেচ্ছা বিনিময়

ঈদুল ফিতরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কূটনীতিকদের শুভেচ্ছা বিনিময়

পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসবমুখর দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। এই বিশেষ দিনে আন্তর্জাতিক সম্প্রীতি ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার লক্ষ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

যমুনা ভবনে শুভেচ্ছা বিনিময়ের আনুষ্ঠানিকতা

শনিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’য় এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনররা একে একে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। এই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরবসহ বহু দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক এবং সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন। ঢাকায় নিযুক্ত অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণও এই সুযোগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রধানমন্ত্রীর পরিবার ও উপদেষ্টার উপস্থিতি

কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশে তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও এই অনুষ্ঠানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি এই অনুষ্ঠানকে আরও আন্তরিক ও উষ্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঈদের নামাজ ও জাতীয় ঈদগাহে উপস্থিতি

এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন। ধর্মীয় এই কর্তব্য পালনের পর তিনি সরাসরি যমুনা ভবনে গিয়ে কূটনীতিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ঈদের এই পবিত্র দিনে ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের মধ্যে সমন্বয় রেখে প্রধানমন্ত্রীর এই কার্যক্রম দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সম্মানের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে এই সরাসরি যোগাযোগ বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির একটি সক্রিয় অংশ হিসেবে কাজ করছে।