প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ে জনসমুদ্র, ১৯ বছর পর দেশে প্রথম ঈদ উদযাপন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ঈদুল ফিতরের দিনে কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। শনিবার, ২১ মার্চ সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যা দেশবাসীর জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ে জনতার ব্যাপক উপস্থিতি
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা অভিমুখে ভোর থেকেই মানুষের ঢল নেমেছে। সকাল সাড়ে আটটা থেকে সর্বসাধারণের জন্য যমুনা প্রাঙ্গণের প্রবেশপথ উন্মুক্ত করা হলে মুহূর্তেই ভিড় বাড়তে থাকে, যা এক পর্যায়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। সাধারণ মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী, এবং বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ সেখানে জড়ো হয়ে এক অপূর্ব দৃশ্যের সৃষ্টি করেন।
নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপর উপস্থিতি পুরো এলাকাজুড়ে লক্ষ্য করা গেছে, যা অনুষ্ঠানটিকে সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।
ঈদের নামাজ ও প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ইতিহাস
এর আগে সকালে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নিয়ে নামাজ আদায় করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকাল সাড়ে ৮টায় এই প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের শুভ সূচনা করে।
২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে লন্ডনের পথে দেশ ছাড়তে হয়েছিল বিএনপির তৎকালীন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে। এর আগে ২০০৭ সালে শেষবার দেশে ঈদ করেছিলেন তিনি। ১৯ বছরের দীর্ঘ নির্বাসন শেষে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর এবারই প্রথম ঈদ তারেক রহমানের, যা তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনের একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি শুভেচ্ছা বিনিময়ই নয়, বরং দেশের ঐক্য ও সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা ও দেশপ্রেমের প্রতিফলন ঘটায়।



