ঈদে চীনের খাদ্য সহায়তা, দূত বললেন: বাংলাদেশ-চীন ভাগ্যবান অংশীদার
ঈদে চীনের খাদ্য সহায়তা, বাংলাদেশ-চীন ভাগ্যবান অংশীদার

ঈদ উপলক্ষে চীনের খাদ্য সহায়তা, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারের বার্তা

ঢাকায় চীনা দূতাবাস ঈদুল ফিতর উপলক্ষে খাদ্য প্যাকেট দান করেছে। চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশ ও চীন সামগ্রিক কৌশলগত সহযোগী অংশীদার এবং ভাগ্যবান সম্প্রদায় হিসেবে একসাথে এগিয়ে যাচ্ছে।

দূতের বক্তব্য: ভাগ্যবান অংশীদারিত্বের উপর জোর

চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন মঙ্গলবার ঢাকায় ঈদুল ফিতর খাদ্য প্যাকেট দান অনুষ্ঠানে বলেন, বাংলাদেশ ও চীন সামগ্রিক কৌশলগত সহযোগী অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, চীন বাংলাদেশের জনগণের জন্য আরও বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা উভয় দেশের জনগণের কল্যাণ বৃদ্ধি করবে।

ইয়াও ওয়েন বলেন, "ঈদুল ফিতর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও আশীর্বাদ ভাগাভাগির সময়। এই দানের মাধ্যমে চীন উষ্ণতা ও সমর্থন পৌঁছে দিতে চায়, যাতে বাসিন্দারা শান্তিপূর্ণ উৎসব উদযাপন করতে পারে।"

অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ও প্রতিক্রিয়া

চীনা দূতাবাসের এই খাদ্য প্যাকেট দান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুল রহমান উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় এক হাজারেরও বেশি বাসিন্দা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

চীনা দূতাবাস জানিয়েছে, ড. শফিকুল রহমান এই উদার দানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, খাদ্য প্যাকেটগুলো চীনের বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক বন্ধুত্বের প্রতিফলন। তিনি চীনের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং দলীয় বিনিময় গভীর করতে, আরও বেশি তৃণমূল পর্যায়ের সহযোগিতা প্রচার করতে এবং যৌথভাবে জনগণের কল্যাণ বৃদ্ধির ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

ভবিষ্যৎ সহযোগিতার দিকনির্দেশনা

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও চীন একটি "ভাগ্যবান সম্প্রদায়" হিসেবে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন যে চীন বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সহায়তা করতে আগ্রহী এবং উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

এই দান অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্কের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। এটি দেখায় কীভাবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা স্থানীয় সম্প্রদায়ের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে পারে।