ট্রাম্পের অগ্রাধিকার তালিকায় কিউবার আগে ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কিউবার সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু হলেও তার প্রশাসনের অগ্রাধিকার তালিকায় ইরান আগে থাকছে। এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই পরিকল্পনার বিস্তারিত বিবরণ দেন।
কিউবার আগে ইরান মোকাবিলার ঘোষণা
ট্রাম্প বলেন, "আমরা কিউবার সঙ্গে কথা বলছি, তবে কিউবার আগে আমরা ইরানের বিষয়টি মোকাবিলা করতে যাচ্ছি।" এই মন্তব্যে তিনি মার্কিন পররাষ্ট্র নীতির অগ্রাধিকারকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। গত শুক্রবার কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, যা একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
দক্ষিণ ফ্লোরিডার সমর্থকদের প্রত্যাশা
ট্রাম্পের মতে, দক্ষিণ ফ্লোরিডায় তার সমর্থকরা কয়েক দশকের শত্রুতা শেষে একটি বড় পরিবর্তনের অপেক্ষায় আছেন। কিউবার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প গত জানুয়ারি থেকেই সরব রয়েছেন। বিশেষ করে ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সামরিক বাহিনী অপহরণ করে বিচারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার পর থেকেই এই তৎপরতা বেড়েছে।
কিউবার ওপর চাপের কারণ
দীর্ঘদিন ধরে ভেনেজুয়েলা কিউবাকে বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছিল। মাদুরোর পতনের ফলে সেই সহায়তার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কিউবার ওপর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের আলোচনার প্রস্তাব কিউবার জন্য একটি সম্ভাব্য রাহাতের পথ খুলে দিতে পারে।
ট্রাম্পের দৃঢ় অবস্থান
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "আমি মনে করি আমরা খুব শিগগিরই একটি চুক্তিতে পৌঁছাবো, অথবা আমাদের যা যা করার প্রয়োজন আমরা তা-ই করব।" এই উক্তিতে তিনি মার্কিন নীতির অটল অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই আলোচনা প্রক্রিয়া কিউবা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে, তবে ইরান ইস্যুটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে রয়ে গেছে।
