মেক্সিকোতে বিদায়ী ইফতার ও নৈশভোজে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী
ঢাকায় ফেরত যাওয়ার প্রাক্কালে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী মেক্সিকো সিটিতে এক বিদায়ী ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে তার ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভকামনা জানান। কারণ তিনি শিগগিরই মেক্সিকোতে তার দায়িত্বকাল শেষ করে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কূটনীতিকরা
অনুষ্ঠানে আইভেরি কোস্ট, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত ছাড়াও ইরাক, আজারবাইজানসহ কয়েকটি দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী মেক্সিকোতে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সহযোগিতা, বন্ধুত্ব ও সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য
তিনি বলেন, মেক্সিকোতে কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশে সম্প্রতি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন একটি নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক আশাব্যঞ্জক সূচনা।
কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা
রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী তার দায়িত্ব পালনকালে সার্বিক সহযোগিতার জন্য মেক্সিকোর সরকার, জনগণ ও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তাৎক্ষণিক আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ায় কূটনীতিকদের প্রতিও ধন্যবাদ জানান। কূটনৈতিক কোরের ডিন এবং আইভেরি কোস্টের রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীর কূটনৈতিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। মেক্সিকোতে তার দায়িত্বকালীন সময়ে কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও গঠনমূলক সহযোগিতার জন্যও তাকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানের আয়োজন
অনুষ্ঠানে অতিথিদের বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ইফতার সামগ্রী ও বিভিন্ন দেশীয় খাবার পরিবেশন করা হয়। এই আয়োজনটি মেক্সিকোতে বাংলাদেশ মিশনের সহকর্মীদের সম্মানার্থে করা হয়েছিল, যা কূটনৈতিক সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
