ব্রিটিশ হাইকমিশনার: যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সিলেটের গভীর ও বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে
ব্রিটিশ হাইকমিশনার: যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সিলেটের বিশেষ সম্পর্ক

ব্রিটিশ হাইকমিশনার: যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সিলেটের গভীর ও বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সিলেটের গভীর ও বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, সিলেটের সম্পর্ক যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ, কারণ যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী প্রায় ৯০% বাংলাদেশিই সিলেটের। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে, যার বড় অংশ সিলেটের অবদান। সিলেটিদের যুক্তরাজ্যে অবদান অসাধারণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সিলেটে ইফতার পার্টিতে মন্তব্য

ব্রিটিশ হাইকমিশনার এই মন্তব্য করেন বুধবার সিলেট শহরের একটি হোটেলে ব্রিটিশ হাইকমিশন আয়োজিত ইফতার পার্টিতে। সিলেটের বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের সম্মাননা জানিয়ে এই ইফতার আয়োজন করা হয়। তিনি সবাইকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই পবিত্র মাস প্রতি বছর সংযম ও শান্তির বার্তা নিয়ে আসে। তিনি যোগ করেন, এমন ইফতার সমাবেশ সমাজের সব স্তরের মানুষকে একত্রিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করে।

সিলেটের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক

সফরকালে হাইকমিশনার সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের সঙ্গে শুভেচ্ছা সাক্ষাৎ করেন। তিনি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দ এবং অঞ্চলে কর্মরত ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেও আলোচনা করেন। বৈঠকগুলোতে পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে রয়েছে:

  • বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ
  • জলবায়ু সহনশীলতা
  • শিক্ষা
  • প্রবাসন

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য এসব ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বজায় রাখছে এবং যুক্তরাজ্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

সিলেটিদের অবদানের প্রশংসা

সারাহ কুক জোর দিয়ে বলেন, সিলেটিদের যুক্তরাজ্যে অবদান বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। তিনি বলেন, সিলেটের মানুষ যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সামাজিক কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই সম্পর্ক শুধু অর্থনৈতিক নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনও গড়ে তুলেছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্য সিলেটে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়তা করতে আগ্রহী। শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নেও সহযোগিতা জোরদার করার কথা বলেন হাইকমিশনার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও গভীর হবে এবং উভয় দেশের জনগণের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে।