মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক, আলোচনায় বাণিজ্য-নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ইস্যু
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক, আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে আলোচনায় বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ইস্যু

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি সম্পন্ন হয়। বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গেও আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেন, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গভীরতা নির্দেশ করে।

দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রসমূহের পর্যালোচনা

আলোচনায় উভয় পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, উন্নয়ন অংশীদারত্ব, অভিবাসন এবং মানুষে মানুষে বিনিময়সহ সহযোগিতার বিভিন্ন মূল ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করেন। এই বিষয়গুলো বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলা হয়েছে।

রোহিঙ্গা ইস্যু ও আসন্ন মার্কিন কর্মকর্তার সফর

বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য প্রশংসা করেন এবং মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে টেকসই রাজনৈতিক সমর্থন কামনা করেন। এছাড়া, মার্চের প্রথম দিকে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী সচিব পল কাপুরের আসন্ন বাংলাদেশ সফরের বিষয়টিও আলোচনায় তুলে ধরা হয়।

প্রসঙ্গত, গত অক্টোবরে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও অধ্যাপক ড. এস. পল কাপুর যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী সেক্রেটারি হিসেবে সিনেটের অনুমোদন পান। তিনি এ দায়িত্বে ডোনাল্ড লু’র স্থলাভিষিক্ত হন, যা আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

ভবিষ্যত সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ

উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী বছরগুলোতে সব খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। এই বৈঠকটি দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্ব ও সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করার একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।