পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের ঘোষণা: বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতি ও স্বাধীনতা রক্ষার অঙ্গীকার
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণা: বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতি ও স্বাধীনতা রক্ষা

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের ঘোষণা: বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতি ও স্বাধীনতা রক্ষার অঙ্গীকার

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন দেশের দূতদের সঙ্গে বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন, বাংলাদেশ তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে এবং পারস্পরিক অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতি অনুসরণ করা হবে, যেখানে সবার ওপরে থাকবে বাংলাদেশের স্বার্থ।

বৈদেশিক নীতির আউটলাইন ও রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠক

খলিলুর রহমান বলেন, গতকাল থেকে বাংলাদেশের বিদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে। এই বৈঠকে সরকারের বৈদেশিক নীতির আউটলাইন তুলে ধরা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের লক্ষ্য হলো, বাংলাদেশ ফার্স্ট। সবার ওপরে থাকবে বাংলাদেশ। এই নীতির মাধ্যমে প্রতিটি দেশের সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবো, পরস্পরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবো না এবং আমাদের নীতিমালা হবে পারস্পরিক স্বার্থ ও জাতীয় মর্যাদার ওপর ভিত্তি করে। এই ঘোষণা বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আস্থার প্রকাশ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত সৌদি আরব, চীন, ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। তিনি লক্ষ্য করেছেন, এই দেশগুলোর প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি গভীর আস্থা এবং ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এই আস্থা বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির সাফল্যের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

এই বৈঠকগুলোতে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতির বিস্তারিত বাস্তবায়ন পরিকল্পনা
  • পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করা
  • অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতি
  • জাতীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ঘোষণা বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে, যেখানে স্বাধীনতা রক্ষা এবং পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে।