যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিনন্দন ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আহ্বান
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। একইসাথে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার আশাও প্রকাশ করেছেন তিনি। বিদেশ মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাঠানো চিঠিটি প্রকাশ করে।
প্রতিরক্ষা চুক্তি বাস্তবায়নে সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপের প্রত্যাশা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পাঠানো বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, নতুন প্রধানমন্ত্রী যেন রুটিন প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো সম্পন্ন করতে সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেন। এসব চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী উচ্চমানের মার্কিন তৈরী সরঞ্জাম পাবে। ট্রাম্প এই সরঞ্জামগুলোকে বিশ্বের সেরা বলে বর্ণনা করেছেন।
"আমি আপনার সাথে কাজ করে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহী," প্রধানমন্ত্রী তারেককে লেখা চিঠিতে এ কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
পারস্পরিক সম্মান ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্বার্থ
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, দুই দেশের এই অংশীদারিত্ব পারস্পরিক সম্মান ও একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার সম্মিলিত স্বার্থের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যেখানে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলো সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে।
"আপনার কার্যকাল শুরু হওয়ায় আমি আশা করি আপনি আমাদের পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমাদের বাণিজ্য সম্পর্কের বিশাল গতিবেগ ধরে রাখতে আমাকে সাহায্য করবেন। এই চুক্তি আমাদের দুই দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের উপকার করে," তিনি যোগ করেন।
রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের উপর আস্থা ও সমৃদ্ধির সুযোগ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর বার্তায় বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের উপর তাঁর পূর্ণ আস্থার কথা প্রকাশ করেন। "একসাথে কাজ করে আমাদের দুই দেশকে আরও সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করার সুযোগ রয়েছে," বলেন ট্রাম্প।
তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তাঁর ঐতিহাসিক নির্বাচনে জয়লাভের জন্য অভিনন্দন জানান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সফল কার্যকাল কামনা করেন। "আপনার আগামী দিনগুলোতে শুভকামনা," বলেও শুভেচ্ছা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এই চিঠি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্য খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষের আগ্রহ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
