নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বল নন্দ শর্মা বাংলাদেশের নতুন নির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসছেন। তিনি সোমবার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এই সফর কাঠমান্ডুর ঢাকার সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন বলে বিবেচিত হচ্ছে।
নেপালের প্রতিশ্রুতি ও সফরের বিবরণ
নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর নেপালের বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার এবং সহযোগিতার বন্ধন গভীর করার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। মন্ত্রী শর্মা কাঠমান্ডু থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রাত ১০টা ১৫ মিনিটে পৌঁছাবেন। তিনি ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
সফরসঙ্গী ও আনুষ্ঠানিকতা
এই সফরে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে তার মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা থাকবেন। শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনারও সুযোগ থাকতে পারে।
নেপালের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বার্তা
এর আগে শুক্রবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুষীলা কার্কি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে তার দলের নির্বাচনী বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি একটি বার্তায় বলেছেন, "সফলভাবে ১৩তম সংসদীয় নির্বাচন পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন।"
প্রধানমন্ত্রী কার্কি তারেক রহমানকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে একটি উল্লেখযোগ্য বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি যোগ করেছেন, "আমি পারস্পরিক স্বার্থের ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিবেশী সম্পর্ক শক্তিশালী এবং সহযোগিতা সুসংহত করার জন্য আপনার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।"
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্ব
এই সফর ও অভিনন্দন বার্তা দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরছে। নেপালের এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি তাদের সমর্থন ও সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করছে।
বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে, এবং এই সফর সেই সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা, ও উন্নয়ন সহযোগিতার মতো ক্ষেত্রে আরও সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
