পশ্চিমবঙ্গে জেতায় বিজেপিকে বিএনপি নেতার অভিনন্দন
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ে বিএনপি নেতার অভিনন্দন

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই অভিনন্দন জানান বলে এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে।

অভিনন্দন ও তিস্তা প্রসঙ্গ

সাক্ষাৎকারে হেলাল বিজেপি সরকারকে তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গে জয় পাওয়া সুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপিকে আমি অভিনন্দন জানাই। আমি মনে করি, এই বিজয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে আগের মতো সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সহায়তা করবে।'

অনেকের মতো আজিজুল বারী হেলালও মনে করেন, মমতা ব্যানার্জি তিস্তা চুক্তির 'বাধা' ছিলেন। তিনি বলেন, 'আগে আমরা দেখেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিস্তা ব্যারাজ বাস্তবায়নে বাধা ছিলেন। আমার ধারণা, এখন বাংলাদেশ সরকার ও মোদি সরকার, যেটা তারা দীর্ঘদিন ধরে করতে চাইছিল, সেই তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে বিজেপি সহায়তা করবে। তৃণমূল কংগ্রেসের জায়গায় বিজেপি ক্ষমতায় আসায় এখন তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে বলে আমি মনে করি।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবর্তন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা ব্যানার্জি নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটেছে। ২০১১ সালে যে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে মমতা ব্যানার্জি ৩৪ বছরের বাম দুর্গের পতন ঘটিয়েছিলেন, ২০২৬ সালে এসে সেই একই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

দলটির এই বিপুল বিজয় কেবল পশ্চিমবঙ্গের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। বিজেপির এই জয় বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক ও তিস্তা চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ