পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার আগামী ২৫ বৈশাখ (৯ মে) রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন শপথ নেবে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এ তথ্য জানিয়েছেন। শনিবার সকাল ১০টায় কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের একটি বিশেষ মঞ্চে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন যারা
এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। কলকাতাসহ সারা দেশের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিও এতে অংশ নেবেন। একই দিনে রাজ্যের নতুন মন্ত্রিসভাও শপথ গ্রহণ করবে।
মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু অধিকারীর সম্ভাবনা
তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন, তা নিয়ে এখনো জল্পনা চলছে। রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেভাবে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ে রাজ্য থেকে তৃণমূলকে হটিয়ে দিয়েছেন, তার স্বীকৃতি হিসেবে শুভেন্দুকেই মুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে। এবার কলকাতার ভবানীপুর আসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি মমতাকে পরাজিত করেছিলেন।
মন্ত্রিসভা গঠনে বৈঠক
মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন, এ বিষয়ে আগামী ৮ মে অমিত শাহর সঙ্গে রাজ্য নেতৃত্বের বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য
এদিকে আজ নিজের নির্বাচনী এলাকা নন্দীগ্রামে গিয়ে একটি মন্দিরে পূজা দেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের দুঃশাসন, দুর্নীতি ও ধর্ষণের সব মামলা পুনরায় চালু করা হবে। সব দুর্নীতিবাজকে আইনের আওতায় আনা হবে এবং কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সবাইকে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে।
নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, এই বাংলায় বিজেপি ১০০ বছর ক্ষমতায় থাকবে। ২০১১ সালের নির্বাচনের পর তৃণমূল বলেছিল, বাম ফ্রন্টের ৩৪ বছর নয়, তৃণমূল ক্ষমতায় থাকবে ৫০ বছর। কিন্তু মাত্র ১৫ বছরের মাথায় বিদায় নিতে হলো তৃণমূল সরকারকে।
রাজ্য সভাপতির নবান্ন সফর
আজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বর্তমান রাজ্য সচিবালয় নবান্নে যান এবং সেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন।



