সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তৃতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এই রিমান্ডের আদেশ দেন।
গ্রেফতার ও পূর্বের রিমান্ড
গত ৯ এপ্রিল মহাখালীর ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাঞ্জিল হায়দারকে গ্রেফতার করা হয়। ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ নিহতের ঘটনায় নিউ মার্কেট থানার মামলায় তিন দফায় ১২ দিনের রিমান্ড নেওয়া হয় তাকে। এছাড়া ২২ এপ্রিল রমনা মডেল থানার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় পাঁচ দিন এবং ২৬ এপ্রিল আরও চার দিনের রিমান্ড দেন আদালত।
তৃতীয় দফায় রিমান্ডের শুনানি
দুই দফায় ৯ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. আমজাদ হোসেন তালুকদার। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামছুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
মামলার বিবরণ
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও তার সব সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের সদস্যরা গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে তিনটার দিকে রমনা থানার রুপায়ন টাওয়ারের সামনে মিছিল করে। তারা সরকার বিরোধী বিভিন্ন শ্লোগান দিয়ে তাদের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করা, সরকার তথা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রের ক্ষতি সাধনের লক্ষ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছিল। পরে সোয়া তিনটায় ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করলে কয়েকজনকে সেখান থেকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় ওই দিনই রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন এসআই আওলাদ হোসেন।



